Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Classic Header

Popular Posts

Breaking News:

latest

বিজেপিতে যোগদিলেন কংগ্রেস নেতা অনুপ ঘোষ

বিজেপিতে যোগদিলেন কংগ্রেস নেতা অনুপ ঘোষ। দলীয় পতাকা তুলে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।পাশাপাশি রাজ্যে ২০১৯ সালে কমপক্ষে ২৫ টি আসন পাবে। আজ গিরিশপার্কে বিজেপির সোশ্যাল মিডিয়া সেলের প্রশিক্ষণ শিবিরে শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্ন…




বিজেপিতে যোগদিলেন কংগ্রেস নেতা অনুপ ঘোষ। দলীয় পতাকা তুলে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।পাশাপাশি রাজ্যে ২০১৯ সালে কমপক্ষে ২৫ টি আসন পাবে। আজ গিরিশপার্কে বিজেপির সোশ্যাল মিডিয়া সেলের প্রশিক্ষণ শিবিরে শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এই দাবী করেন উত্তর প্রদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রী সিদ্ধার্থনাথ সিং।



রথযাত্রার অনুমতি ইশুতে দিদ্ধার্থনাথ সিং বলেন, রাজ্য সরকারকে অনুমতি দিতে হবে। গনতন্ত্র মেনে রথযাত্রার অনুমতি দিতে হবে। যদি রাজ্য সরকার রথযাত্রার অনুমতি না দেয়। তা হলে কোটের দরজা খোলা আছে। কোটের অনুমতি  নিয়েই রথযাত্রা হবে। ১৯৯২ সালে রথযাত্রা নিয়ে তৃণমূল ভুল রাজ্যের মানুষের মধ্যে বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে। সেই বিষয়ে আমি  বিজেপির সোশ্যাল মিডিয়াতে কর্মীদের বার্তা দিয়েছি।

ভাগ ভাগ ভাগ স্লোগান আমি দিয়েছিলাম। আমি উত্তর প্রদেশের মন্ত্রী হওয়ার পর যে সব  তৃণমূল নেতা বলেছিলেন আমি উত্তর প্রদেশ ভেগে গেছি, তাদের বলছি এখন ডাবল পাওয়ার নিয়ে আমি এসেছি। আগে বাংলার জামাই ছিলাম এখন বাংলার শশুরও। পশ্চিমবঙ্গ থেকে তৃণমূল সরকারকে ভাগাবই। রবিবার কলকাতায় দলের আই টি ও মিডিয়া সেল এর কর্মশালায় এসে একথা বললেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক তথা উত্তর প্রদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রী সিদ্ধার্থ নাথ সিং।

 সিদ্ধার্থ দাবি করেন, ২০১৯ এর লোকসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গে কমপক্ষে ২৫টি আসন বিজেপি পাবে। কারণ, বুথ স্তরে বিজেপির সংগঠন অনেক শক্তিশালী হয়েছে। ২০১৪ তে বাংলায় প্রধান বিরোধী বিজেপি ছিল না। আজ বিজেপি এখানে প্রধান বিরোধী। গত পাঁচ বছরে বাংলায় সিপিএম ও কংগ্রেস শেষ হয়ে গেছে। পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন আসবেই। এভাবেই এদিন বাংলা থেকে তৃণমূলকে হঠানোর ডাক দেন তিনি।


শান্তিপুরে বিষ মদ কান্ড নিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন উত্তর প্রদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রী। বলেন, বাংলায় কোনো ঘটনা ঘটলেই বলা হয় বিহার, ঝাড়খন্ড থেকে লোক এসেছিল। ভোট ব্যাংকের জন্য বিজেপির উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করে তৃণমূল সরকার। বেআইনি কিছু চললে সরকারের উচিত সেটা বন্ধ করা। অন্য রাজ্যেকে দোষারোপ করা নয়। তৃণমূল সরকারের বিভিন্ন কাজকর্ম ও রাজ্যে অরাজকতার বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারে দলের আই টি ও মিডিয়া সেল কে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে হবে বলে জানান সিদ্ধার্থ নাথ। তিনি বলেন, রথযাত্রার অনুমতি রাজ্য সরকারকে দিতেই হবে। কারণ, এটা গণতন্ত্র।

এদিন ভাষণ দেওয়ার শুরুতে কিছুটা নস্টালজিক হয়ে পড়েন সিদ্ধার্থ নাথ। বলেন, যখনই বাংলায় আসার সুযোগ মেলে তখন খুব আনন্দ হয়। এখানে দলের নেতা কর্মীদের সঙ্গে দেখা হয়। কথা বলার সুযোগ মেলে। এদিন অন্যদের মধ্যে কর্মশালায় ছিলেন অমিত মালব্য, অরবিন্দ মেনন, অমিত ঠক্কর, সায়ন্তন বসু, প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

No comments